|
সম্পাদকীয় প্রকাশ করতে দুদিন দেরী হল। পত্রিকা প্রকাশের দিন ছিল ১৫ই মার্চ। সমস্ত লেখা একত্রিত করে, ফাইল আপলোড ফাঁকে হঠাৎই ব্রাউজারে খুলে ফেললাম আনন্দবাজার পত্রিকা – আর সাথে সাথে নিঃসাড় হয়ে গেল আমার সমস্ত অনুভূতি। অসহায় শিশু, মহিলা সহ সাধারন মানুষের রক্তে ভিজে গেছে নন্দীগ্রাম। কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থেকে আপলোড ফোল্ডার থেকে মুছে ফেললাম সম্পাদকীয়-র ফাইলটি। তারপর আরও একদিন গেল আমার প্রতিবাদের ভাষাকে খুঁজতে। কি ভাষায় প্রতিবাদ করব এই জঘন্য হত্যাকান্ডের। ইন্টারনেটের পাতায় দেখি আহত / নিহত মানুষের ছবি আর বুদ্ধবাবুর সাফাই। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতিবান, নাট্ট্যকার মূখ্যমন্ত্রী। সেই বুদ্ধবাবুর সরকার এই নারকীয় ঘটনার কান্ডারী। বুদ্ধবাবু শুধু পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রীই নন, তিনি পুলিশমন্ত্রীও। বুদ্ধবাবু কোনোভাবেই এই ঘটনার দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। আজ সভ্য পৃথিবীর পুলিশ, গন আন্দোলনের সময় আইন রক্ষার্থে ব্যবহার করে জলকামান বা প্লাস্টিক বুলেট – আর পশ্চিমবঙ্গের জনদরদী কমুনিষ্ট সরকারের অবলম্বন আজ ও সেই আগ্নেয়াস্ত্র। যেই পুলিশ কয়েক বছর আগে আমেরিকান সেন্টারের সামনে সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমনের জবাবে একটি বুলেট ও ফেরৎ পারে নি, সেই পুলিশই বীরবিক্রমে হত্যা করে নিরস্ত্র নারী এবং শিশুকে। বুদ্ধবাবু, জানি না আপনার সরকারের মানবতা বিরোধী দমননীতি পশ্চিমবঙ্গের শিল্পকে কতটা এগিয়ে নিয়ে যাবে। তবে একথা নিশ্চত করে বলা যায় যে নরেন্দ্র মোদীর গুজরাট আর বুদ্ধবাবুর পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে তফাৎ আজ শুধুই তাত্বিক। Comments | |
View all articles by this author |
|