|
লিখেছেন ঊর্মিলা চক্রবর্তী
|
জয়া নাম দিয়েছিল নীপবীথি।
কদম ফুটে ঝ’রে থাকতো পাপড়ি, নরম পথে
আদুড় পায়ে ঘোর বাদামি রঙের কদমফলের গাঢ় আলতা এঁকে
ওর খেলা বর্ষাসন্ধ্যায়
ঈশিতা চাইত বর্ষাশেষের ছাতিমমুকুল
গন্ধে আকূল পথে ছড়িয়ে থাকবে শ্বেতমঞ্জরী,
আর তারই ছায়া পড়বে শরতের হালকা মেঘে,
রাতের তারায় ভরা ছায়াপথে
 অলংকরণ - সৌরভ চক্রবর্তী
উজ্জ্বল রঙ সুবর্ণার প্রিয়, তাই একা কৃষ্ণচূড়া গাছের
শরীর ঢেকে ছড়িয়ে গেলে আবির, আর থোকা থোকা
সোনার মোহর ডালায় সাজালে সোঁদালি,
সোনার মেয়ে সুবর্ণা বসন্তবর্ণা, যৌবনরঙ্গিনী
যৌবনের কস্তুরীগন্ধে ম’ম’ এই পথে পাতার কাঁপনে মৃদু গান,
স্মৃতি আওড়ায় বিহ্বল আবেগস্তোত্রমালা,
কবেকার মনের মানুষের শরীরের নোনা গন্ধ
যেন কাণামাছি খেলে দিশাহারা হাওয়ায়,
ওড়া চুল ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায় বাসনাশিথিল
শরীরের গোপন খাঁজ
আজও
ওরা এখনও আসে, দলে দলে।
বাঁকাচোখে তাকায়, ভাবে, বুড়োবুড়িগুলো আবার এখানে কেন?
কি মতলবে?
ওরা ছেলে মানুষ, ভালোবাসার কিই বা জানে?
| Write comment |
This content has been locked. You can no longer post any comment. |
 |
ঊর্মিলা চক্রবর্তী |
| About the author: |
| |
|