Image
 
Gifts: Misti | Mahabhoj | Cake
Movie: Bengali | Hindi | Satyajit
Music: Rabindra | Najrul | Adhunik
Books: Children | Pujabarshiki | Novel
নেতাজীর হোমফ্রন্ট- ২ প্রিন্ট কর ইমেল
লিখেছেন সত্যব্রত মজুমদার   
আর্টিকেল সূচি
নেতাজীর হোমফ্রন্ট- ২
পাতা 2
পাতা 3

এর আগে

শ্রী কামাখ্যা রায়ের নেতৃত্বে বি-ভি পূর্বাঞ্চলে নেতাজীর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, নেতাজী পরিচালিত স্বাধীনতা সংগ্রামের শরিক হওয়ার মানসে। স্থির হয় চট্টগ্রামে আরাকানের সীমান্ত অতিক্রম করে নেতাজীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করার মানসে অজিত রায় ও নীরেন রায় আরাকানের সীমান্ত অতিক্রম করবে। বি-ভির কর্মীরা নূতন উৎসাহে লেগে গেল নেতাজীর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে স্বাধীনতা সংগ্রামকে ঘরে-বাইরে সমপর্যায়ে নিয়ে আসতে।

চট্টগ্রামের মৌলানা মণিরুজ্জমান ইসলামাবাদি এম.এল. এর সঙ্গে বি-ভির যোগাযোগ ‘৪২ এর আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে, বৃহত্তর সংগ্রামের প্রেরণায়। ইসলামাবাদি সাহেব সর্বান্তকরণে বিশ্বাস করতেন সুভাষচন্দ্রের পথই স্বাধীনতা অর্জনের একমাত্র পথ। দেশবাসীকে মুক্তিসংগ্রামের প্রকৃত রূপ অবহিত করাবার প্রয়োজন ছিল। প্রয়োজন ছিল দেশের অভ্যন্তরেও ভারতীয় সেনা-বাহিনীর প্রতিটি সেনার অন্তরে মুক্তি আকাঙ্খা উজ্জীবিত করা। এ কারণে Free India League এর নামে Posters ও Leaflets ছাপিয়ে বি-ভি এবং মৌলানা সাহেবের সংগঠন যুক্তভাবে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগে অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে ছড়িয়ে দেয় বাংলা ও আসামের বিভিন্ন শহরে, মিলিটারী ক্যাম্প ও ব্যারাকে-- অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে গোপনে। তখনকার আইনে এ সমস্ত পোষ্টারের জন্য শাস্তি ছিল প্রাণদন্ড। এ কাজের মাধ্যমে ইসলামাবাদি সাহেবের সঙ্গে বি-ভি একাত্ম হয়ে গেল।

ইসলামাবাদি সাহেব তাঁর চট্টগ্রামের বাড়ীটি সীমান্তের প্রধান ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করতে দিলেন। তিনি নিজ সংগঠনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম থেকে সীমান্ত পর্যন্ত ছোট ছোট মুসলমান হোটেলের ছদ্ম আবরণে, কয়েকটা ঘাঁটিও তৈরী করে দিলেন। সীমান্ত অতিক্রম করার ব্যবস্থা হল। অজিত রায় নীরেনবাবুকে সঙ্গে নিয়ে নেতাজীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্যে তৎপর হলেন।

বি-ভির তরফ থেকে যখন এ প্রচেষ্টা চলছে সে সময় চঞ্চল মজুমদারকে (সত্যব্রত) সংগঠন ও কর্মপ্রচেষ্টাকে সার্থক রূপদানের প্রয়োজনে ঢাকা-কলকাতা ছুটাছুটি করতে হতো। সত্যরঞ্জন বক্সী মহাশয়ের ভাই সুধীর রঞ্জনের সঙ্গে চঞ্চল মজুমদার সব সময়েই যোগাযোগ রক্ষা করত। সুধীরবাবুর সঙ্গে বর্মা থেকে যোগাযোগ প্রচেষ্টা সম্ভব বলে চঞ্চল মজুমদার সবসময়ই মনে করত। সেজন্য সুধীরবাবুকে বলা ছিল তিনি যেন প্রয়োজনে ধীরেন সাহা রায় (সুধীরবাবুর সঙ্গে ধীরেনবাবুকে চঞ্চলবাবুর পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন) অথবা রাতুল রায় চৌধুরীর মাধ্যমে চঞ্চল মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য সংবাদ পাঠান।



 

প্রতিবেশী ওয়েবজিন